স্ত্রীর মৃত্যুর পর থেকে মানসিক আবসাদে আত্মঘাতী হলেন সিআরপি জওয়ান

স্ত্রীর অপারেশন তাই ছুটি নিয়ে বাড়ি গিয়ে ছিলেন। কিন্তু অপারেশনের মাঝেই মৃত্যু হয় স্ত্রীর।স্ত্রীর মৃত্যুর পর থেকে মানসিক আবসাদে ভুগচ্ছিলেন।একটি ছ বছরের মেয়েও আছে। স্ত্রীর মৃত্যুর শোক নিয়ে কর্মক্ষেত্রে বুধবার যোগদান করেছিলেন। এদিন বৃহস্পতিবার নিজের ব্যারাকে নিজের সার্ভিস ইনসাস রাইফেল দিয়ে গুলি করে আত্মঘাতী হলেন বছর ছত্রিশের যুবক। এই ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার লালগড় থনার পঞ্চাশ নম্বর সিআরপি ব্যাটালিয়নের হেড কোয়র্টারে।

সিআরপিএফ ৫০ ব্যাটিলিয়ন সূত্রে জনা গিয়েছে আত্মঘাতী ওই কন্সটবলের নাম নীলাময় পাল(৩৬)।বাড়ি তিলজলা থানার পিকনিক গার্ডেনে। গত বারো বছর ধরে তিনি এই ব্যাটালিয়নে কন্সটবল পদে কর্মরত ছিলেন। ২০০৬ সালে তিনি যোগদান করেছিলেন।এদিন সকাল নাগাদ নীলাময়ের ব্যারাক থেকে এক রাউন্ড গুলির আওয়াজের সাথে তীব্র আর্তনাদে কেঁপে ওঠে ক্যাম্প চত্ত্বর। তীব্র এই আওয়াজে নীলাময়ের ব্যারাকে ছুটে আসেন ক্যাম্পের অন্যান্য জওয়ান এবং অফিসাররা। তারা এসে দেখতে পান রক্তাক্ত অবস্থায় নিচে লুটিয়ে পড়ে আছেন নীলাময়। ব্যাটালিয়ন সূত্রে জানি গিয়েছে নিজের ইনসাস রাইফেল থেকে তিনি থুতনির নিচে গুলি করেছিলেন।গুলি মাথা ভেদ করে বেড়িয়ে যায় ঘটনা স্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঝাড়গ্রাম জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত জওয়ানের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে।

লালগড় সিআরপি পঞ্চাশ নম্বর ব্যাটালিয় হেডকোয়াটার সূত্রে জানা গেছে স্ত্রীর গলব্লাডারে স্টোনের অপারেশন ছিল নীলাময় পালের। তাই ছুটি নিয়ে বাড়ি নিয়ে গিয়েছিল। অপারেশনের সময় তার স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছিল। মানসিক আবসাদ ছিল। বুধবারই কাজে যোগ দিয়েছিল। ব্যবহার স্বাভাবিক ছিল। এদিন ডিউটি সেরে ব্যারাকে ফিরেছিল। প্রচন্ড শব্দ পেয়ে সকলে ছুটে গিয়ে দেখা যায় সে নিজের সার্ভিস রাইফেল ইনসাস থেকে এক রাউন্ড গুলি করে আত্মঘাতী হয়েছে।গত বারো বছর ধরে ধরে কন্সটবল পদে কর্মরত ছিলেন।”

Please follow and like us:

Related posts