বর্ধমান থেকে বাঁকুড়া হয়ে পুরুলিয়া পর্যন্ত ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডোরের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

বর্ধমান থেকে বাঁকুড়া হয়ে পুরুলিয়া পর্যন্ত ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডোরের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর , প্রশাসনিক বৈঠকে অবৈধ বালি খাদান বন্ধের কড়া নির্দেশ

বর্ধমান থেকে বাঁকুড়া হয়ে পুরুলিয়া পর্যন্ত ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডোরের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী । বুধবার বাঁকুড়ার শালতোড়ায় একটি সরকারি জনসভায় যোগ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন বর্ধমানের পানাগড় থেকে দুর্গাপুর , বাঁকুড়া হয়ে পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর পর্যন্ত ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডোর তৈরি করা হবে যেখানে অসংখ্য শিল্প ও সহায়ক শিল্প তৈরি হবে ।

কয়েকলক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হবে । পুরুলিয়ার বলরামপুরে সভা সেরে বুধবার দুপুরে বাঁকুড়ার শালতোড়া নেতাজী সেন্টেনারি কলেজের মাঠে একটি সরকারি জনসভায় যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী । এই জনসভায় যোগ দিয়ে বাঁকুড়া জেলার ১৪২ টি প্রকল্পের শিলান্যাস ও ১০০ টি প্রকল্পের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী ।

আরও পড়ুনঃ বই মেলা শুরু ৩০শে জানুয়ারি থেকে , চলবে ১০ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত

এছাড়াও এদিনের জনসভা থেকে বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলার জন্য বিভিন্ন রুটের মোট ৪২ টি সরকারি বাসের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী । এদিনের জনসভা থেকে অসংখ্য সরকারি প্রকল্পের পরিসেবা উপভোক্তাদের হাতে তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী । এদিনের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সরকারি বিভিন্ন পরিসেবার কথা তুলে ধরেন । তার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ একসময় বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ায় কোনো পর্যটক আসত না । মাওবাদী আতঙ্ক তাড়া করে বেড়াত মানুষকে । প্রতিদিন রক্তাক্ত হত জঙ্গলমহলের মাটি । কিন্তু এখন এলাকায় শান্তি ফিরেছে’ ।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ এ রাজ্যে তিনটি দল আছে । একটা দফল ৩৪ বছর ধরে এই রাজ্যকে বিক্রি করে দিয়ে চলে গেছে । তাদের করা ধারের সুদ দিতে রাজ্যের বেশিরভাগ টাকা চলে যাচ্ছে । তারা এখনো বিজেপি র হাত ধরে চলছে । এ রাজ্য থেকে সিপিএম যেমন হারিয়ে গেছে তেমনই দেশ থেকে বিজেপি হারিয়ে যাবে। সিবিআই টু আরবিআই সর্বত্র চলছে বাই বাই’ ।

আরও পড়ুনঃ সিগারেট ক্যানসারের হাত থেকে মুক্তি দেবে , হ্যাঁ পড়ুন নতুন আবিষ্কার কি বলছে

এদিন জনসভা সেরে মুখ্যমন্ত্রী বাঁকুড়া শহরের রবীন্দ্র ভবনে একটি প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেন । এই সভায় যোগ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জেলায় অবৈধ বালি খাদান বন্ধের ব্যাপারে কড়া নির্দেশ দেন জেলা পুলিশ ও প্রশাসনকে । মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ চোর তৈরি করা যাবে না । যে অবৈধ খাদান আছে তা যতক্ষন না বইধতা পাচ্ছে ততক্ষন তা চলতে দেওয়া যাবে না’ । মুখ্যমন্ত্রী এদিন জেলার গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতি কে বড় রাস্তা ও সেতু তৈরি না করে সেগুলি পুর্ত দফতরকে দিয়ে তৈরি করানোর নির্দেশ দেন ।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ পঞ্চায়েত , পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদে ইঞ্জিনিয়ারের সংখ্যা অনেক কম । তাই তারা কেবলমাত্র কালভার্ট ছাড়া আর কিছু তৈরি করবে না । বড় সেতু বা রাস্তা তৈরি করতে হলে অবশ্যই তা পুর্ত দফতরকে দিয়ে করাতে হবে’ ।

Please follow and like us:

Related posts