প্রধান – উপপ্রধান পদে দলিয় লড়াই, বিজেপিকে সাথে জয়ের চেস্টা এক গোষ্ঠীর

প্রধান – উপপ্রধান পদে দলিয় লড়াই, বিজেপিকে সাথে জয়ের চেস্টা এক গোষ্ঠীর

মহিষাদলঃ মহিষাদল ব্লকের ইটামগরা-২ গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান- উপপ্রধান পদের জন্য দলিয় দুই গোষ্ঠীর লড়াই। বিজেপিকে সাথে নিয়ে এক গোষ্ঠীর জয়ের চেস্টা। ইটামগরা -২ গ্রামপঞ্চায়েতর মোট আসন ১২ টি। শাসকদল তৃণমূল ১১ টি আর বিজেপি একটি আসন জয়লাভ করে। আদালতের নির্দেশে এই গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান- উপপ্রধান নির্বাচিত হয়নি। আদালতের নির্দেশেই আজই এই গ্রামপঞ্চায়েতে প্রধান- উপপ্রধান নির্ধারিত। তৃণমূল সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারনে তারাই বোর্ড গঠনের অধিকার লাভ করে। কিন্তু কে হবে প্রধান আর উপপ্রধান তা নিয়ে দলের অন্দরেই দুই গোষ্ঠীর মতভেদ তৈরি হয়। এই গ্রামপঞ্চায়েতে টানা ১০ বছর প্রধানের পদে রামকৃষ্ণ দাস ও উপপ্রধানের পদে মুসলেমা বেগম দায়িত্বে থেকে এলাকার উন্নয়ন করেছে। এলাকার উন্নয়ন করে রাষ্ট্রপতি, জাতীয়,রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেরা পুরস্কার অর্জন হয়েছে। সম্প্রতি হয়ে যাওয়া নির্বাচনে রামকৃষ্ণ দাস ও মুসলেমা বেগম দুজনেই জিতলেও তাদের সেই পদে বসাতে বাধা সৃষ্টি করে দলের একাংশ। ব্লক কমিটির একাংশ প্রধান হিসাবে সম্পা কাঁপ ও উপপ্রধান হিসাবে শ্রীকান্ত দিন্ডাকে মনোনিত করে। কিন্তু সোমবার দুটিকরে প্রার্থী অর্থাৎ প্রাধান পদের জন্য সম্পা কাঁপ ও মুসলেমা বেগম ও উপপ্রধানের জন্য শ্রীকান্ত দিন্ডার নাম উঠে আসে। ফলে ভোটা ভোটি হয়। প্রধান পদে উপপ্রধান পদে ১২ টি আসনের মধ্যে ১১ টি তৃনমূলের আর একটি বিজেপির প্রধান হিসাবে মুসলেমা বেগম ৬ টি ভোট আর সম্পা বিজেপির একটি ভোট নিয়ে ৬ টি ভোট পায়। ৬/ ৬ হয়ে যাওয়ায় লটারির মাধ্যমে সম্পা কাঁপ জয়লাভ করে। কিন্তু উপপ্রধানের ক্ষেত্রেও একই লটারির মাধ্যমে জয়লাভ করে রামকৃষ্ণ দাস। তৃণমূলের দুটি গোষ্ঠী একটি অঞ্চল সভাপতি তরুন মন্ডল আর একটি ১০ বছরের প্রধান রামকৃষ্ণ দাসের। তরুন মন্ডল গোষ্ঠী রামকৃষ্ণ দাসকে পদ থেকে সরানোর চেস্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি। নৈতিক জয় হয়েছে বলে মনে করেন রামকৃষ্ণ দাস। জয়ের পর তিনি প্রকাশ্যে দলের ব্লক সভাপতি তিলক চক্রবর্তী ও অঞ্চল সভাপতি তরুন মন্ডল বিরুদ্ধে মুখ খুলেন। তিনি বলেন, রাজ্যের মন্ত্রী জেলার নেতা শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশ মেনেই কাজ করে চলেছি। তিনিই গ্রামপঞ্চায়েতের উন্নয়নের জন্য সুন্দর বোর্ড গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। সেই নির্দেশ মত কাজ করতে গিয়ে ব্লক সভাপতি তিলক চক্রবর্তী ও অঞ্চল সভাপতি তরুন মন্ডল সহ তাদের কিছু অনুগামী যারা এত দিন গ্রামপঞ্চায়েতের উন্নয়ন করে এলো তাদের সরিয়ে দেওয়া চেস্টা চালিয়ে এই ধরনের নোংরা রাজনীতি করছে।দলের ভাবমূর্তি ভাঙ্গার চেস্টা করছে। দলের শত্রু সেই বিজেপির প্রার্থীকে নিয়ে আমাদের সরিয়ে দেওয়া চেস্টা চালাচ্ছিল। কিন্ত তা করতে পারেনি। জেলা নেতৃত্বের কাছে সমস্ত ঘটনা তুলে ধরে ব্যবস্থা গ্রহনের আবেদন জানানোর কথা বলেন রামকৃষ্ণ দাস।

ব্লক সভাপতি তিলক চক্রবর্তীর জানান, যা হয়েছে দলের পক্ষে মটেও ভাল নয়। দলিয়ভাবে মনোনীত করা হলে ভালো হত। দুজনকে স্বাগতম জানাই।

বিজেপির জয়ী প্রার্থী নবমী মান্না গুছাইত জানান, এলাকার উন্নয়নের সার্থে আমি তৃণমূলকে সমর্থন করেছি। যোগ্যব্যক্তি পদে বসে এলাকার উন্নয়ন করুক তাই সমর্থন করেছি।।

Please follow and like us:

Related posts