বিধবা বৃদ্ধার মুখে একচিলতে হাসি ফোটাতে এগিয়ে এল: “বি. এম. ফাইন আর্ট এন্ড কালচার” এর সদস্যরা

শীতের আগমনে সন্তানহীন বিধবা বৃদ্ধার মুখে একচিলতে হাসি ফোটাতে এগিয়ে এল:”বি. এম. ফাইন আর্ট এন্ড কালচার”

আজও যেন গ্রামবাংলার দুঃস্থ মানুষেরা নিপীড়িত, বঞ্চিত, কারণ তার প্রমাণ পাওয়া গেলো ভূপতিনগর গ্রাম নিবাসী মনোরমা রাণা নামক এক অসহায় বৃদ্ধার কাছে পৌছে যখন জানতে পারলেন , যে মানুষটি সন্তানহীন বিধবা, যার তিন কুলে কেউ নেই দুবেলা দুটো খাবার যুটেনা দিনের পর দিন অসুস্থ শরীর নিয়ে মানুষের কাছে হাত পাততে হয় সেই দৃশ্য দেখে সত্যি মর্মাহত বি. এম. ফাইন আর্ট এন্ড কালচার (কাঁথি)।

কে এই বৃদ্ধা? 

বুধবার বিকাল ৪টায গিয়েছিলাম, গিয়ে দেখেন ভাঙচুরা বাড়ি, ঘরের মধ্যে নেই কোনো আসবাবপএ নেই কোনো বাসন, নেই কোন রান্নার সরঞ্জাম, আছে শুধু একটি ভগ্নময কুঠির আর ভাঙাচোরা খাট, আর নেই কিছু। শুধু পরনে ছিল ছেঁড়া শাড়ি। বৃদ্ধার বয়স 85। বৃদ্ধার নাম মনোরমা রাণা, বাড়ি ভূপতিনগর।

তাই বৃদ্ধার কাছে একটি কম্বল, চাদর, টুপি, শাড়ি, শোয়েটার কিছু খাবার তুলে দিতে পেরে বি. এম. ফাইন আর্ট এন্ড কালচার স্বামীজীর সেই বাণী – “শিব জ্ঞানে জীব সেবা করতে পেরে নিজেদেরকে ধন্য মনে করছি।

কিন্তু ওনারা ওনাদের পরিবারের সদস্য/ সদস্যা এখানে থেমে থাকবে না, আগামী দিনে ওনারা (বি. এম. ফাইন আর্ট এন্ড কালচার) সক্রিয় ভাবে আরো কিছু করবার প্রতিজ্ঞা বদ্ধ হলেন । সেগুলি হল –

  1. বাড়ির ব্যবহারকারী কিছু সামগ্রিক প্রদান।
  2. খাওয়া দাওয়া যোগান।
  3. ভাঙাচোরা বাড়িটাকে মেরামত করে তোলা।
  4. ডাক্তার এর সুবন্দোবস্ত করে তোলা।
  5. বাড়ির চারিদিকে একটু পরিষ্কার করে তোলা।

জানিনা ওনাদের এই ইচ্ছে গুলো পূরণ করতে পারবে কিনা, তবে মনের জোর আর চেষ্টা আমাদেরকে জয় করতে বাধ্য করাবে এমনি বক্তব্য উদ্যোগতা দের ।

ওনাদের পক্ষে থেকে ছোট্ট আবেদন জানানো হচ্ছে যে, কোনো সহৃদয় ব্যাক্তি যদি আর্থিক সহযোগিতার সাথে সাথে ওনাদের পাশে দাঁড়ায় তাহলে ওনারা খুব তাড়াতাড়ি কাজটা শুরু করে দিতে পারবেন ।
‘মানুষ, মানুষের জন্য’ __ মানুষের পাশে বি. এম. ফাইন আর্ট এন্ড কালচার (কাঁথি)

শুধু তাই নয়, বি. এম. ফাইন আর্ট এন্ড কালচার বিভিন্নস্হানে বৃক্ষরোপন, সচেতনতা শিবির, পুস্তক বিতরণ, চিএ প্রদর্শনী ও কর্মশালা আয়োজনে করে সেখান থেকে আঁকা ছবি বিক্রি করে বন্যা দূর্গতদের পাশে দাঁড়ানো, বিনা বেতনে মহিলাদেরকে স্বনির্ভর করার লক্ষে নানা ধরনের হস্তশিল্পের প্রশিক্ষণ, প্রতিবন্ধী ও দুঃস্থ ছাত্রছাত্রীকে বিনা বেতনে অঙ্কন প্রশিক্ষণ এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চিত্র প্রদর্শনী ও কর্মশালা আয়োজন প্রভৃতি সমাজ মূলক কর্মসূচী পালনে ব্রতী হয়ে এগিয়ে চলেছেন ।

এই সকল কর্মসূচী রূপাযনে যাঁদের আন্তরিক ও নিরলস সাহায্য ও সহযোগিতা ইতিমধ্যেই পাওয়া গেছে তাঁদেরকে প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার চিত্রশিল্পী বিষ্ণু মাইতি মহাশয়কে আন্তরিক শুভেচ্ছা, ঐকান্তিক কৃতজ্ঞতা ও হার্দিক অভিনন্দন জানিয়েছেন ।

 

বি. এম. ফাইন আর্ট এন্ড কালচার এর 10 জন সদস্য ও সদস্যাদের নিয়ে হাজির হয়েছিলেন , তাদের নাম গুলি হলো.. ইন্দ্রাণী দাস .দেবারতি চন্দ্র .রাজেশ পাল .বিস্বজিত দে .বিষ্ণু মাইতি .বৈশালী চক্রবর্তী .সুজাতা দে .দেবরাজ চক্রবর্তী.সঙ্ঘমিতা সামন্ত.নীলাঞ্জন গুছাইত।

Please follow and like us:

Related posts