মানব কল্যাণে দেহ চক্ষুদানের অঙ্গীকার করলেন মানব প্রেমী সমাজসেবী রাধেশ্যাম ঘোষ

মানব কল্যাণে দেহ চক্ষুদানের অঙ্গীকার করলেন মানব প্রেমী সমাজসেবী রাধেশ্যাম ঘোষ। আব্বাজান খ্যাত রাধেশ্যাম ঘোষ বৈচিত্র্যময় কাজের সঙ্গে যুক্ত থেকে আনন্দ পান। কখনো অভিনয়, আবার কখনো সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থেকে তৃপ্তি পান। কয়েকদিন আগে 1 বৃষ্টিহীন দের বিদ্যালয়ে গিয়ে নানান অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেন। তাদের সঙ্গে সারাদিন কাটিয়ে দেন। বেলা গড়িয়ে বিকেল তখন পেট চুঁইচুঁই করছে তবুও হাসিমুখে সবার সঙ্গে কাটালেন। হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করলেন দৃষ্টিহীনদের যন্ত্রণার কথা। এই সুন্দর পৃথিবীর আকাশ বাতাস সবকিছু উপলব্ধি করে দৃষ্টিহীনরা। কিন্তু তারা দেখতে পায় না। শিক্ষক দিবসের দিনে কলকাতার একশন 74 শ্যামাপ্রসাদ রোডে অবস্থিত লাইট হাউজ ফাঁদ দ্য ব্লাইন্ড স্কুলে বিশেষ অতিথি হিসাবে গিয়ে পেলেন অনেক সম্মান। মুখোমুখি হলেন দৃষ্টিহীনদের ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ছাত্র ছাত্রীদের সঙ্গে।। একশত 10 জন দৃষ্টিহীন ছাত্র ছাত্রীরা এখানে পাঠরত। প্রায় সারা রাজ্যের অসহায় পরিবারের শিশুরা এখান থেকে শিক্ষা অর্জন করছে। আব্বাজান খ্যাত রাধে শ্যাম বাবু তাদের হাতে তুলে দিলেন নিজের নিয়ে যাওয়া খাবার। তাকে ঘিরে দৃষ্টিহীনদের উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। সেই সফরে তার সঙ্গ দিয়ে বিচিত্র পরিবেশ থেকে আসা দৃষ্টিহীন শিশুদের মুখোমুখি হলাম। আলাপ হলো বিভিন্ন জেলা থেকে আগত দৃষ্টিহীন পড়ুয়াদের সঙ্গে। অষ্টম শ্রেণী তে পাঠরত নদীয়ার এ নিফা খাতুন, দিঘার নন্দিনি শর্মা, মালদার রুবে দা খাতুন, আলেয়া খাতুন, নবম শ্রেণীর আলিপুরদুয়ারের বনি লাখ রিয়া সহ অগণিত দৃষ্টিহীনদের সঙ্গে। তাদের এক বুক যন্ত্রণা এই সুন্দর পৃথিবী সবকিছু যদি দেখতে পেতাম। তাদের কষ্টের কথা শুনলেন রাধেশ্যাম বাবু। বাড়ি এসে সিদ্ধান্ত নিলেন মানব কল্যাণে তার সতেজ দুটি চোখ দিয়ে দিতে চান। শুধু তাই নয় প্রাণবায়ু নিভে গেলে তার দেহ দিয়ে যেতে চান মানব সেবায়। শিক্ষানবীশ চিকিৎসকরা তার দেহটাকে কাজে লাগাবে। এম ও অঙ্গীকারের কথা ঘোষণা করলেন দ্বিতীয় বার লাব্বাইক মিশনে এসে সবার মাঝে এই অঙ্গীকার ঘোষণা করেন।

Please follow and like us:

Related posts